ড্যাফোডিলে ‘উদ্ভাবন অংশীদার পরামর্শ’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ড্যাফোডিলে ‘উদ্ভাবন অংশীদার পরামর্শ’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

  • ক্যাম্পাস ডেস্ক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে উদ্ভাবনী অর্থনীতি গঠনে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রীক উদ্যোগ নিয়ে ‘উদ্ভাবন অংশীদার পরামর্শ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রযুক্তি সম্মেলন আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ধানমন্ডি ক্যাম্পাসের ৭১ মিলনায়তনে শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবক ও রূপান্তর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম নওয়াজ শরীফ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলামের সভাপতিত্তে¡ সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কৃটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান মো. মোস্তাক হাসান, এনডিসি। এছাড়া অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় ও উদ্যোক্তাবৃত্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম ইকবাল, ক্যারিয়ার ডেভলপমেন্ট সেন্টারের পরিচালক আবু তাহের খান প্রমুখ। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ বিভাগ, ক্যারিয়ার ডেভেলাপমেন্ট সেন্টার এবং স্কিল জবস্ ও বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল।  

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মোস্তাক হাসান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে টেকসই করতে হলে আমাদের প্রচুর উদ্যোক্তা প্রয়োজন। আর উদ্যোক্তা হতে হলে উদ্ভাবন জরুরি। উদ্ভাবনী শক্তি না থাকলে কেউ সফল উদ্যোক্তা হতে পারে না। তাই উদ্ভাবনী শক্তিকে বিকশিত করার জন্য এ ধরনের সম্মেলন বেশি বেশি হওয়া উচিত। এসময় তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানান এধরনের একটি সময়পযোগী সম্মেলন আয়োজন করার জন্য।

বিসিকের সাফল্য ও ব্যর্থতা উল্লেখ করে মো. মোস্তাক হাসান আরো বলেন, সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার একর জমিতে বিসিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি করতে যাচ্ছে। আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। এসব শিল্প পার্কে বিনিয়য়োগ করার জন্য অনেক উদ্যোক্তা প্রয়োজন। এজন্য তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে তিনি চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানান।

সম্মেলনের মূখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. এম নওয়াজ শরীফ বলেন, দুই দিনের এই সম্মেলনে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিজের ভাবনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পেরে আনন্দ অনুভব করছি। দেশের সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও তরুণ শিক্ষার্থীরা যদি উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগী হয় তাহলে খুব শিগগিরই বাংলাদেশ উন্নত অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। এসময় তিনি বাংলাদেশে এ ধরনের সম্মেলন আরও বেশি বেশি আয়োজন করার আহ্বান জানান অধ্যাপক নওয়াজ শরীফ।

অধ্যাপক ড. এম নওয়াজ শরীফ আরো বলেন, আগামীর পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের উপর নির্ভর করেই টিকে থাকতে হবে। এজন্য ছোটবেলা থেকেই আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে উদ্ভাবনী জ্ঞানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্মেলনে উদ্ভাবন ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মোট ১০টি সেশনে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় অর্ধ শতাধিক নীতি নির্ধারকগণ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনটি শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

Leave a Reply