ড্যাফোডিলে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

ড্যাফোডিলে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

  • ক্যাম্পাস ডেস্ক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের আয়োজনে ‘ড্যাফোডিলিয়ান ইন মিডিয়া’ শীর্ষক প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর)  বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে এ প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর এ এম এম হামিদুর রহমান, স্টুডেন্ট এফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান শেখ মোহাম্মদ সফিউল ইসলাম, বিভাগীয় শিক্ষক আনিস আলমগীর, ড. তৌফিক এলাহী, আফতাব আহমেদ ও এনায়েতুর রহমান প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ড. গোলাম রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে গেলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সব সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার একটি অনন্য উপায় হচ্ছে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। এর মাধ্যমে একই ব্যাচের বন্ধু, পূর্ববর্তী ব্যাচের ভাইবোন এবং পরবর্তী ব্যাচের অনুজদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা যায়। এতে নেটওয়ার্কিং শক্তিশালী হয়। এসময় তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রে সফল হতে হলে নেটওয়াকিংয়ের বিকল্প নেই। বর্তমান সময়কে তিনি নেটওয়ার্কিংয়ের যুগ বলে অভিহিত করে তিনি পেশাগত জীবনে এর প্রতিফলন ঘটিয়ে যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে সুফল ঘরে তোলার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. সবুুর খান বিশ্বেবর নামী-দামী মিডিয়া প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিত্বদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতাা ও গণযোগাযোগ বিভাগের মিথস্ক্রিয়তা ও সুসম্পর্ক বৃদ্ধির উপর জোড় দেন এবং প্রয়োজনে তাদের বিভাগে আমন্ত্রণ জানিয়ে দ্রুত বিকাশমান গণমাধ্যমের বৈশ্বিক পরিবর্তনের ধারার সাথে শিক্ষার্থীদের খাপ খাইয়ে বা মানিয়ে নেয়ার তালিম দেয়ার আহ্বান জানান। এপ্রসঙ্গে তিনি বিশ্বনন্দিত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সাইমন ড্রিং এর উদাহরন তুলে ধরে বলেন, একুশে টেলিভিশনের দায়িত্ব পালনকালে তিনি যে সংবাদকর্মী বাহিনী গড়ে তুলে ছিলেন, তারাই আজকের গোটা বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তিনি বাংলাদেশী সাংবাদিকদেও জন্য আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে কাজ করার সক্ষমতা ও সুযোগ তৈরীর উপর জোড় দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, তোমাদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটাই চাওয়া এবং সেটা হচ্ছে, কীভাবে ইন্ড্রাস্ট্রির সঙ্গে একাডেমির মিথস্ক্রিয়া করা যায় সে ব্যাপারে আমাদেরকে সহযোগিতা করবে। এছাড়া তোমাদের বিভাগের ছোট ভাই-বোন যারা রয়েছে তাদেরকে ইন্টার্নশিপের ক্ষেত্রে এবং কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিজেদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং পুরনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে দীর্ঘ আড্ডায় মেতে ওঠেন।

Leave a Reply