ড্যাফোডিলে ‘আমাদের জীবনে নৈতিকতা’ শীর্ষক সেমিনার

ড্যাফোডিলে ‘আমাদের জীবনে নৈতিকতা’ শীর্ষক সেমিনার

  • ক্যাম্পাস ডেস্ক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল ক্লাবের আয়োজনে ‘আমাদের জীবনে নৈতিকতা’ শীর্ষক এক সেমিনার গতকাল শনিবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। সেমিনারে মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুরের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মনজুর-ই-এলাহী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. সবুর খান বলেন, মানুষের জীবনে নৈতিকতা অপরিহার্য। নৈতিকতার কারণেই মানুষ অন্যান্য প্রাণি থেকে আলাদা। তাই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নৈতিকতার চর্চা করা উচিত বলে মনে করেন ড. মো. সবুর খান। এজন্য তিনি সবার আগে ‘নিয়ত’ ঠিক রাখার কথা বলেন। মো. সুবর খান বলেন, নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার একটি বড় মাধ্যম হচ্ছে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা। অন্তরকে কলুষমুক্ত করতে না পারলে নৈতিক শিক্ষা অধরা থেকে যাবে। এজন্য সবার আগে অন্তরকে পবিত্র করতে হবে। অন্তররের শুদ্ধতা রক্ষার জন্য ধর্মীয় ইবাদতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

সেমিনারের মূখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. মনজুর-ই-এলাহী বলেন, সময়ের সাথে সাথে পৃথিবী এগিয়ে গেলেও, মানুষের উন্নয়ন হলেও সমাজ কিন্তু দিনকে দিন অধঃপতিত হচ্ছে। এর কারণ কী? এর কারণ একটাই। সেটা হচ্ছে, নৈতিকতার অবক্ষয়। সমাজে নৈতিকতার চর্চা নেই বলেই খুন, ধর্ষন, রাহাজানিসহ নানা অন্যায় বেড়েই চলেছে। এ থেকে উত্তরণের জন্য চারটি উপায় বাতলে দেন তিনি। এক. সঠিক জ্ঞানার্জন করা, দুই. সঠিক ইবাদত করা, তিন. অন্যায় না করার সংকল্পে অটুট থাকা এবং চার. সচ্চরিত্রবান হিসেবে নিজেকে তৈরি করা। তিনি আরো বলেন, নৈতিকতার শিক্ষা একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া যার শুরু শৈশব থেকে। নৈতিকতার সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হচ্ছে পরিবার। তাই পরিবারে নৈতিকতা চর্চা করা অত্যাবশ্যক বলে মনে করেন তিনি।

আলোচনা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। কুইজ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি ড. মো. সুবর খান।

Leave a Reply