‘সক্ষমতা উন্নয়ন ও সুশাসনের জন্য ওয়েবভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যয় পরিকল্পনা’

‘সক্ষমতা উন্নয়ন ও সুশাসনের জন্য ওয়েবভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যয় পরিকল্পনা’

  • ক্যাম্পাস ডেস্ক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে ‘সক্ষমতা উন্নয়ন ও সুশাসনের জন্য ওয়েবভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যয় পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক কর্মশালা আজ রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পওয়ার রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান সাহিন আহমেদ চৌধুরী, জ্বালানী, বিদ্যুৎ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমাদ কায়কাউস এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম।

প্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. শামসুল আলমের সঞ্চালনায় কর্মশালায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, বিআরইবির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) মঈন উদ্দীন, এসআরইডিএ’র চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসেন, এটুআই প্রকল্পের অতিরিক্ত সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পিজিসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মাসুম আল বেরুনী, ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) মো. শহীদ সারওয়ার, ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান, আরপিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর সবুর, বিসিসির পরিচালক (টিঅ্যান্ডডি) প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনামুল কবির।

অনুষ্ঠানে ওয়েবভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যয় পরিকল্পনার ওপর একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টশন উপস্থাপন করেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আলম হোসেন মণ্ডল এবং প্রকৌশলী এম এ রাজ্জাক রুপম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নসরুল হামিদ, এমপি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে সবধরনের নাগরিক সেবাকে ডিজিটাল করার বিকল্প নেই। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ ইতিমধ্যে অনেক সেবাকেই ডিজিটাল করেছে। আরও অনেক উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎকৌশল বিভাগ যে ওয়েবসাইটের মডেল তৈরি করেছে তা গ্রাহকদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোরও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

বিদ্যুৎখাতে ভুর্তুকির সমালোচনার জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিদ্যুৎখাতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ভুর্তুকি দিচ্ছে বলে যে সমালোচনা করা হয় সেটা সঠিক নয়। এটিকে ভুর্তুকি না বলে বিনিয়োগ বলা উচিত। সরকার মানবসম্পদ উন্নয়নে এ বিনিয়োগ করছে। কারণ বিদ্যুতের গ্রাহক বাড়লে মানবসম্পদ উন্নয়ন সূচকের উন্নতি হয়। বিদ্যুৎ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমাদ কায়কাউস বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ যথেষ্ট সচ্ছতার সঙ্গে কাজ করে। যার ফলে টিআইবির রিপোর্টে আজ পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভাগের নাম আসেনি। বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওযেবসাইটে সব তথ্য হালনাগাদ করা থাকে। তারপরও ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় যে সফটওয়্যার উদ্ভাবন করেছে তা গ্রাহকদের উপকৃত করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অপর বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম বলেন, গ্রাহকদের অধিকার আদায়ে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন সবসময়ই সোচ্চার। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের হস্তক্ষেপের কারণেই গ্রাহকপর্যায়ে নূন্যতম বিল অপসারণ করা হয়েছে। তবে এই সফটওয়্যার গ্রাহকদের অধিকার আদায়ে আরও ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পওয়ার রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎখাতের গবেষণায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে ইপিআরসি। ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, আইইউবিসহ বেশ কটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ফান্ড প্রদান করা হয়েছে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়কেও গবেষণা ফান্ড প্রদানে ইপিআরসি বদ্ধ পরিকর বলে তিনি জানান।

Leave a Reply