এক অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গল্প

এক অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গল্প

  • ক্যাম্পাস ডেস্ক

বিশ্বায়নের এ যুগে দেশে ও বিদেশে মানসম্পন্ন শিক্ষার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষে রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র ধানমন্ডির কোলাহলমুক্ত পরিবেশে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজটির যাত্রা শুরু হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ড্যাফোডিল গ্রুপের কর্ণধার, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী মো: সবুর খান। এটি  ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষার সুযোগ রয়েছে। উল্লেখ্যযোগ্য যে, এখানে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইংরেজি, বিবিএ, সিএসই, ফিন্যান্স ও মার্কেটিংয়ে অনার্স কোর্স চালু করা হবে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: ১. অভিজ্ঞ ও মেধাবী শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা  মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা। ২. নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন যোগ্য নাগরিক সৃষ্টি।  ৩. শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীল গুণাবলির বিকাশ ঘটানো। ৪. প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে দেশে ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার  জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলা। ৫. কলেজটিকে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা।

বৈশিষ্ট্য: ১. ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে শিক্ষা। ২. নিয়মিত অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা ও মূল্যায়নের ব্যবস্থা। ৩. নিয়মিত এঁরফব ঞবধপযবৎ-এর তত্ত¡াবধান।  ৪. আবশ্যিকভাবে কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা। ৫. অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সুবিধা। ৬. রাজনীতি ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ।

সুবিধাদি: ১. নিজস্ব সুপ্রশস্ত কলেজভবন ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণিকক্ষ। ২. কলেজের অবস্থান অনুযায়ী উন্নত যোগাযোগ সুবিধা। ৩. এ+ প্রাপ্তদের জন্য বিশেষ সুবিধা। ৪. উন্নতমানের ল্যাব, লাইব্রেরি ও ইন্টারনেট সুবিধা। ৫. ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য হোস্টেলের সুবন্দোবস্ত। ৬. শতভাগ পাসের সুযোগ। ৭.  ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ থেকে এইচএসসি উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীদের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ২০% থেকে ১০০% পর্যন্ত বৃত্তি। ৮. অনার্সসহ উচ্চশিক্ষার সুযোগ।

 নিয়ম-কানুন: শিক্ষাবর্ষ তিনটি টার্ম/পর্বে বিভক্ত। একাদশ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রমোশন পেতে হলে ৭৫% ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। তাছাড়া কলেজে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত গ্রেড পয়েন্ট (বিজ্ঞান শাখায় জিপিএ ৩ এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় জিপিএ ২.৫ না পেলে এবং শ্রেণি-উপস্থিতি সন্তোষজনক  না থাকলে বোর্ড পরীক্ষার অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয় না। ইউনিফর্ম ও আইডি কার্ডসহ কলেজে আসা আবশ্যিক। কলেজ ক্যাম্পাসে ধূমপান ও রাজনৈতিক কার্যকলাপ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

সফলতা: বোর্ড পরীক্ষায় পাসের হার জিপিএ-৫ সহ শতভাগ । কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশের স্বনামধন্য সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে, কেউ কেউ বিদেশেও উচ্চশিক্ষা নিচ্ছে। সম্প্রতি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সংগঠন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ভর্তি ফরম বিতরণ ও ভর্তি: মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি-কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ভর্তিচ্ছুদের সহয়তার জন্য কলেজ অফিসে হেল্পডেস্ক খোলা হয় এবং  বিনামূল্যে অনলাইনে ভর্তির সুযোগ দেয়া হয়। উল্লেখ থাকে যে, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদেরকে আবেদন ফরম পূরণসহ এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের মূল প্রশংসাপত্র, মূল মার্কশিট এবং চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি কলেজ অফিসে জমা দিতে হয়। একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান শাখায় এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫ ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় কমপক্ষে  জিপিএ ৩.০০ প্রাপ্তরা আবেদন করার সুযোগ পায়। শুক্রবার কলেজ অফিস খোলা থাকে।

যোগাযোগ: ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ। ৩/৩ ব্লক-এ, লালমাটিয়া (ধানমন্ডি গভ. বয়েজ হাই স্কুলের পশ্চিম  পাশে), ঢাকা-১২০৭, ফোন: ৯১২৬১৯৮, ০১৭১৩৪৯৩২২৭, ০১৮৪৭০২৭৫৪২-৪৫favicon59-4

Leave a Reply