শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শিক্ষাঋণ’ প্রবর্তন করছে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শিক্ষাঋণ’ প্রবর্তন করছে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়

  • ক্যাম্পাস ডেস্ক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মেধাবী ও আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য এডুলোন (শিক্ষা ঋণ) প্রবর্তন করেছে । শিক্ষার সুযোগ মানুষের মৌলিক অধিকার। আমাদের দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সেই অধিকার স্বীকৃত ও দৃশ্যমান। উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে সুযোগ তৈরি হলেও সে ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায়  পড়াশোনার বিপুল খরচ। আমাদের সমাজে আর্থিক অনগ্রসর ও মেধাবী অসচ্ছল ছাত্রদের পক্ষে উচ্চ শিক্ষার বিপুল খরচ বহন করা সম্ভব হয়ে উঠে না। ফলশ্রুতিতে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয় না। অর্থাভাবে যাতে কারো পড়াশোনা বন্ধ না হয় সেজন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরকারি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এডুকেশন লোন চালু রয়েছে । সেই প্রেক্ষাপটে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আর্থিক অনগ্রসর ও মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চ শিক্ষা লাভের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে এডুলোন বা শিক্ষা ঋণ প্রবর্তন করেছে। ফলে আর্থিক অসচ্ছল মেধাবীদের উচ্চ শিক্ষা অর্জনের পথ উন্মুক্ত হলো।

এডুলোন বা শিক্ষা ঋণ প্রতিটি শিক্ষার্থীর শিক্ষার মান যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ মেট্টোপলিটন ইউনিভার্সিটি কর্তৃক মডারেশন করা হবে । এতে শিক্ষার্থী একদিকে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা লাভে সক্ষম হবে এবং সেই সাথে কর্মসংস্থানেরও সহায়ক হবে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমে বিএসসি অনার্স ইন কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (সিআইএস) ও বি.কম অনার্স (একাউন্টিং/মার্কেটিং/ম্যানেজমেন্ট/ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং)  বিষয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবে।

যে সব শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে অনগ্রসর এবং এবং এইচএসসি (নিয়মিত) পরীক্ষায় কমপক্ষে সিজিপিএ ৪ পেয়েছেন, সেসব শিক্ষার্থী এডুলোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা মুলক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা ঋণের জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। আসন সংখ্যা সীমিত।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি তথ্য কেন্দ্র থেকে সরবরাহকৃত নির্ধারিত ফর্ম অথবা বিশ্বদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ফরম ডাউনলোড করে আবেদন করতে হবে। ভর্তির সময় আবেদন করতে হবে এবং ১ সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা ঋণ  প্রাপ্তির সংবাদ জানা যাবে। শিক্ষা ঋণভোগীরা বৃত্তির জন্যও আবেদন করতে পারবে। শিক্ষা ঋণে কোন প্রকার সুদ বা লুকানো চার্জ থাকবে না। বাবা মা অথবা নিকটাত্মীয় শিক্ষা ঋণের  গ্র্যারান্টর হতে পারবে। শিক্ষা ঋণ  অব্যাহত রাখতে হলে প্রতি সেমিষ্টারের ফলাফল ৪ এর মধ্যে কমপক্ষে ৩ রাখতে হবে। ফলাফল সন্তোষজনক না থাকলে শিক্ষা ঋণ  চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে। প্রতিটি শিক্ষাথী ১ম মাস থেকে শুরু করে ৮৪ কিস্তিতে (৭ বছর) টিউশন ফি পরিশোধের সুযোগ পাবে। শিক্ষা ঋণ  গ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করলে বা পড়াশোনা বন্ধ করতে ইচ্ছুক হলে কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদনের মাধ্যমে তা করতে হবে। বিস্তারিত: ০১৭১৩৪৯৩০৫০, ০১৮১১৪৫৮৮৫৩favicon59-4

Leave a Reply