তিনটি মজার টিপস

তিনটি মজার টিপস

  • ক্যারিয়ার ডেস্ক

পড়াশোনার জন্য বিজ্ঞানসম্মত কিছু টিপস প্রকাশ করেছে গ্রেটলিস্ট ডটকম। মজার মজার কিছু পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে এতে।


ঘুমকাতুরে পড়া : চোখে যখন ঘুম ঘুম ভাব, তখনই নাকি জটিল কোনো কিছুতে চোখ বুলিয়ে নেওয়ার আদর্শ সময়। কারণ একটু পরই ঘুমিয়ে পড়বে তুমি, কিন্তু ঘুমাবে না তোমার মগজটা। ঘুমের মাঝেই কোমর বেঁধে কাজ করে মগজটা। আর কাজ বলতে নতুন শেখা স্মৃতিগুলোকে গোছগাছ করে রাখা। তো ঘুমের একটু আগে আগে যে বিষয়টি মাথায় নতুন করে ঢুকল সেটাকে নিয়েই বেশি সময় দেবে মস্তিষ্ক। সুতরাং বুঝতেই পারছ, ওই পড়াটা একটু বেশিই কাজে লাগবে।

টুকরো পড়া : কিছুটা নতুন এ পদ্ধতি বিজ্ঞানসম্মত। একটি বড় বিষয়কে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে বারবার রিভিশন দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। অর্থাৎ জটিল কোনো বিষয়কে একবারে পুরোটা শিখতে যেও না। এটাকে অনেকগুলো ভাগ করে নাও। এক ভাগ পড়া শেষ হলে পরের ভাগ শুরুর আগে আগের ভাগটিকে ভালো করে রিভিশন দিয়ে নিলেই হলো। এভাবে একটি দীর্ঘ সময় ধরে চলবে নতুন পড়া ও রিভিশন। এভাবে পড়ার উপকারটা হলো বার্ষিক পরীক্ষার সময় দেখবে পুরো বিষয়টি তোমার মাথায় একেবারে গেঁথে গেছে। তখন আর ওটাকে রিভিশনও দিতে হবে না, বিশেষ করে রসায়নবিজ্ঞানের পর্যায় সারণি মুখস্থ করার ক্ষেত্রে পদ্ধতিটা বেশ কাজের।

পড়া দিয়ে গল্প : লেখালেখির অভ্যাস থাকুক-না থাকুক, গল্প এবার বানাতেই হবে। প্রগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হোক আর ক্যালকুলাসের সূত্র বা শর্টকার্ট কোনো ফর্মুলা, একটা গল্প বানিয়ে ফেলতে পারলেই হলো। গল্পের সূত্র ধরে মনে থাকবে পড়াটাও। এই গল্প এক বাক্যেরও হতে পারে, আবার বড়ও হতে পারে। যেমন নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র মনে রাখার গল্পটা হতে পারে এমন—জঙ্গলে একটি হাতি দাঁড়িয়ে আছে। কেউ তাকে নড়ানোর কথা চিন্তাও করছে না। বাহ্যিক কোনো বল প্রয়োগ না হওয়ায় হাতিটা স্থিরই আছে। অন্যদিকে মহাকাশে বিজ্ঞানী বজলু স্পেসশিপ থেকে বের হয়ে একটি বাদামের খোসা ছুড়ে দিলেন মহাশূন্যে। বায়ুশূন্য ও মাধ্যাকর্ষণ শক্তিবিহীন মহাকাশে খোসাটা বাধাহীনভাবে সমান গতিতে ছুটতেই থাকল।favicon59-4

Leave a Reply