চাই কর্মক্ষেত্রে সফলতা

চাই কর্মক্ষেত্রে সফলতা

  • ক্যারিয়ার ডেস্ক

কর্মক্ষেত্র যেমনই হোক না কেন, সেখানে সবাই সফল হতে চান। আর এই সফলতার দেখা পেতে সবাই বেশ হিসাব নিকাশ করে সামনে পা ফেলেন। তবে এখানেও বিভিন্ন বাঁধার সম্মুখীন যে হতে হয় না, তাও কিন্তু নয়। আর এ সব কিছু অতিক্রম করে যেতে পারলে তবেই সফল হওয়া সম্ভব। কর্মক্ষেত্রে সফলতার বিষয়ে বিশ্বখ্যাত ফোর্ড মোটর কোম্পানির গ্লোবাল কনজ্যুমার ট্রেন্ড বিশেষজ্ঞ শেরিল কনেলি একবার গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, ‘একটা সময় ছিল যখন পদবী, বাসস্থানের আকার আর গাড়ি দেখে বিবেচনা করা হতো একজন ব্যক্তি কতোটা সফল।’ ক্যারিয়ারে এই সফলতা কিন্তু সহজে ধরা দেয় না। সফল হতে হলে চাই মেধা, মননশীলতা, কাজের প্রতি আন্তরিকতা। চাকরি নতুন হোক বা পুরনো, এসব বিষয়গুলো মেনে চলা খুবই প্রয়োজনীয়।

নিজেকে তুলে ধরুন

জীবনে অন্য আর দশটি বিষয়ের মতো সফলতা অনেক সময় সহজে ধরা দেয় না। কারণ খুব সহজেই যদি সফলতা অর্জন করা যেত, তাহলে সবার মাঝে নিজেকে আলাদাভাবে উপস্থাপন করা যেত না। আর সফল হতে গেলে কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম, কারণ অধিকাংশ কর্মীর ক্ষেত্রেই এই গুণটি পাওয়া যায় না। বর্তমান সময়ে সবাই চায় অল্পতেই সফল হতে। তাই এর মাধ্যমেই অন্যদের মাঝে নিজেকে আলাদাভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব যা সফলতার পূর্বশর্ত।

মনোভাব

যেকোনো কাজেই সফল হতে গেলে কাজের ব্যাপারে ‘মনোভাব’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর কর্মক্ষেত্রে এর গুরুত্ব বলে বুঝানো যাবে না। কারণ সেখানে মনোভাব এমন হতে হবে যেন প্রতিষ্ঠান ধরে নেয় আপনি সেখানে কাজ করতে চান। কর্মক্ষেত্রে সবসময় ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কিংবা সেখানকার কর্মীদের সম্পর্কে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকা বাঞ্চনীয়। কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশ পায় আপনি প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করে সন্তুষ্ট না। সহকর্মীদের সাথে সবসময় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখাটাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাদের সাথেই আপনাকে কাজ করতে হবে। সহকর্মীরা যদি আপনার সম্পর্কে বিরুপ ধারণা পোষণ করে, তাহলে তাদের কাছ থেকে কর্মক্ষেত্রে সহযোগিতা পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।

লক্ষ্য নির্ধারণ করা

সফল হতে গেলে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও গন্তব্য থাকা প্রয়োজন। আপনি কী করতে চাইছেন এবং কেন করতে চাইছেন, সেটি জানা থাকলে সামনে এগুনো সহজ হবে। আর লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করতেও সহজ হবে। কোন কাজটি করছেন, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে। আপনি যদি না জানেন যে আপনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য আপনাকে কীভাবে কাজ করতে হবে, তাহলে সেটি আপনার সফলতার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। কাজের মাঝে নিজের দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধান করতে হবে। যেকোনো কাজ সঠিক সময়ে শুরু করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে।

শেখার আগ্রহ

আপনি যত শিখবেন, আপনার সফলতার পথ ততোই প্রসারিত হবে। কর্মক্ষেত্রে নতুনদের জন্য তো এটি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই আছেন যাদের নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ কম থাকে। দিন শেষে দেখা যায় তারাই পিছিয়ে পড়ে।favicon59-4

Leave a Reply