লক্ষ্য নির্ধারণ কী, কেন, কীভাবে ?

লক্ষ্য নির্ধারণ কী, কেন, কীভাবে ?

  • আ হ ম করিম

আপনি উদ্যোক্তা হতে চান আর কর্মকর্তা হতে চান, পাইলট হতে চান বা ডাক্তার হতে চান, শিক্ষক হতে চান বা প্রকৌশলী হতে চান, আপনার স্বপ্ন থেকেই আপনার জীবনের লক্ষ্য তৈরি হতে পারে। আপনাদের স্বপ্নগুলোর প্রতি সম্মান রেখেই আমার এই লেখাটি যাতে আপনি আপনার স্বপ্নকে, চিন্তাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে পারেন। লেখাটি মূলত পেশাজীবীদের ক্যারিয়ার সফলতার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণের ওপর লেখা কিন্তু আপনি জীবনের যে অবস্থানেই থাকেন না কেন, এই উদাহরণগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে আপনার লক্ষ্যকে সফল করতে পারেন।

লক্ষ্য নির্ধারণ কী, কেন, কীভাবে এই আলোচনার আগে চলুন আমরা আমাদের একটু মূল্যায়ন করে নেই এবং নিজেদের দৃষ্টিকে একটু পরিষ্কার করে নেই।
প্রথমে জেনে নেই আমার জন্য ক্যারিয়ার সফলতা কি? প্রত্যেকের ক্যারিয়ার সফলতা ভিন্ন হতে পারে। কেউ অর্থনীতিবিদ হলে নিজেকে সফল মনে করেন, কেউ দেশের বিখ্যাত প্রকৌশলী, কেউ নাম করা ডাক্তার, কেউ কোম্পানির এমডি, সিইও হওয়াকে ক্যারিয়ার সফলতা মনে করেন। সুতরাং আমাকে ঠিক করতে হবে আমার জন্য ক্যারিয়ার সফলতা কি। আমার ক্যারিয়ার সফলতার লক্ষ্য যেটাই হোক না কেন আমাকে দেখতে হবে আমি সেই সফলতার কোন স্তরে আছি। ধরুন, আমি কান্ট্রি সেলস ডাইরেক্টর হতে চাই কিন্তু আমি সবেমাত্র সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ শুরু করেছি। তার মানে আমি আমার লক্ষ্যের প্রথম স্তরে আছি।

দ্বিতীয়ত জেনে নেই, আমার ক্যারিয়ার সফলতার জন্য আমি কি কাউকে অনুসরণ করছি কিংবা কেউ কি আমার আদর্শ আছে? যদি থাকে তবে তাদের কোন জিনিসগুলো আমাকে আকর্ষণ করে, কেন আকর্ষণ করে। যেমন ধরেন, আমার অফিসের এমডিকে আমার আদর্শ মনে হয় অর্থাৎ তার মতো এমডি হওয়া যদি আমার ক্যারিয়ার লক্ষ্য হয়, তবে তার সময়ানুবর্তিতা, নিয়মানুবর্তিতা, ব্যক্তিত্ব, সামাজিক মর্যাদা, অর্থনৈতিক অবস্থান সবকিছুর মধ্যে যেগুলোকে আমার আদর্শ মনে হয় সেগুলো অর্জনের জন্য লক্ষ্য ঠিক করতে হবে।

তৃতীয়ত, আমি আজকে যা হতে চাই, আমি কি সত্যি তা হতে চাই? ধরুন, আমি কোনো একটি কোম্পানির সেলস ম্যানেজার হওয়াকে আমার ক্যারিয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছি। কিন্তু এই মুহূর্তে যদি আমার হাতে অনেক টাকা এসে পড়ে এবং আমার কোনো ধারদেনা না থাকে, আমি কি এখনো সেলস ম্যানেজার হওয়াকে ক্যারিয়ার সফলতা মনে করব?

চতুর্থত, আমাকে দেখতে হবে এমন কোনো কাজ যেটা সব সময় আমি করতে খুব পছন্দ করি সে কাজটি আমার ক্যারিয়ারের অংশ কিনা? যদি অংশ না হয় তবে সেটাকে কীভাবে ক্যারিয়ারের অংশ করতে পারি।

পঞ্চমত, মনে করুন আপনি ক্যারিয়ারের সফলতা অর্জন করেছেন অর্থাৎ আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছেছেন। একটা সময় এই অবস্থানে পোঁছার জন্য স্বপ্ন দেখেছেন, কল্পনা করেছেন। এই অবস্থানে পোঁছার পরে আপনার যে সুখ অনুভব করার কথা, জীবনে যে স্বস্তি ও তৃপ্তি আসার কথা, আপনি কি সেটা অনুভব করছেন? যদি না করেন তার পেছনে কি কারণ থাকতে পারে?

লক্ষ্য নির্ধারণের আগে এই বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজনীয়তা এই জন্যই মনে করছি যে এগুলো আপনার ভিশনকে স্বচ্ছ করবে। লক্ষ্য নির্ধারণের সঙ্গে ভিশনের সম্পর্ক রয়েছে। আপনার ভিশন যত স্বচ্ছ ও সঠিক হবে আপনার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করে চূড়ান্ত অবস্থানে পোঁছা তত সহজ হবে। ভিশন হলো আপনার চূড়ান্ত অবস্থানের জন্য মনের মাঝে একটি চিত্র তৈরি করা। স্বর্গে পৌঁছা যদি আপনার ভিশন হয় অর্থাৎ স্বর্গের চিত্র যদি আপনার মনে অঙ্কিত হয়ে যায় তবে স্বর্গে যাওয়ার লক্ষ্যে আপনি ধর্ম শিখবেন, উপাসনালয়ে যাবেন, সৎ কর্ম করবেন, অসৎ কর্ম থেকে বিরত থাকবেন, ধর্মীয় অনুশাসন মানবেন ইত্যাদি।

আপনি সবেমাত্র মার্কেটিংয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র। আপনার যদি জীবনের লক্ষ্য হয় যে আপনি আজ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দেশের সেরা মার্কেটিং গুরু/পরামর্শক হবেন তবে এখন থেকে আপনাকে ৫-১০-১৫-২০ বছরের ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে।

প্রথম পাঁচ বছরের লক্ষ্য হতে পারে আপনার একাডেমিক সফলতা, সেরা মার্কেটিং গুরুদের লেখা কিছু বই পড়া, দেশের সেরা মার্কেটিং গুরুদের সংস্পর্শে আসা এবং দেশের সেরা কোম্পানির একটিতে মার্কেটিংয়ের ওপর ইন্টার্নশিপ করা।

দ্বিতীয় পাঁচ বছরে আপনার লক্ষ্য হবে আপনার পছন্দের কোম্পানিতে শিক্ষানবিশ হিসেবে যোগ দেওয়া। সেখান থেকে নিজেকে মিড ক্যারিয়ারে (ম্যানেজার) নিয়ে যাওয়া এবং মার্কেটিংয়ের ওপর কনটিনিউ এডুকেশন (সার্টিফিকেট, লাইসেন্স, ডিগ্রি-মাস্টার্স) নেওয়া।

তৃতীয় পাঁচ বছরে নিজেকে টপ ক্যারিয়ারে (জেনারেল ম্যানেজার, ডিরেক্টর) নিয়ে যাওয়া এবং মার্কেটিংয়ের ওপর কনটিনিউ এডুকেশন (সার্টিফিকেট, লাইসেন্স, ডিগ্রি-PhD) নেওয়া, মার্কেটিংয়ের ওপর নেটওয়ার্কিং, সেমিনার, সংগঠন, ও একাডেমিকের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।

শেষ পাঁচ বছরে আপনার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পোঁছার লক্ষ্যে রোড ম্যাপ তৈরি করতে হবে। অর্থাৎ আপনার ভিশন হলো মার্কেটিংয়ের গুরু হওয়া এবং সেই চিত্র আপনার মনের মাঝে অঙ্কিত করতে হবে। মোট কথা আপনি যখন ক্যারিয়ার লক্ষ্য ঠিক করবেন, তার পেছনে ক্যারিয়ার উন্নয়ন লক্ষ্য ঠিক করুন এবং তার জন্য পরিকল্পনা করে কাজ শুরু করুন। পাঁচ বছরে যা অর্জন করতে চান তার জন্য দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, বাৎসরিক অর্জনগুলো অর্জিত হচ্ছে কিনা তা খেয়াল রাখুন।

লক্ষ্য কি?
আপনি স্বপ্ন দেখেন, কল্পনার জগতে ভাসেন—আমি যদি ধনী হতাম, ক্ষমতাবান হতাম, কোম্পানির মালিক হতাম, দামি গাড়ির, বাড়ির মালিক হতাম, সেরা কোম্পানির বড় কর্মকর্তা হতাম আরও কত কি! এগুলো হলো স্বপ্ন ও কল্পনা। কিন্তু আপনি যখন এই স্বপ্নগুলো থেকে নির্দিষ্ট করে কোনো কিছুকে পাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন সেটা হবে লক্ষ্য। উদাহরণ দেই—
স্বপ্ন—আমি (যদি) ধনী হব!
লক্ষ্য—আমি আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ টাকার মালিক হব।
স্বপ্ন—আমি (যদি) ভালো ছাত্র হব!
লক্ষ্য—আমি সেমিস্টার পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করব।
স্বপ্ন—আমি কোম্পানির মালিক হব!
লক্ষ্য—আমি আগামী জুন মাসে নিজের কোম্পানি শুরু করব।
স্বপ্ন—আমি একটা মোটরবাইকের মালিক হব!
লক্ষ্য—আমি আগামী জানুয়ারি মাসে এক লাখ টাকা দামের এক্স ব্রান্ডের মোটরবাইক কিনব।

সুতরাং লক্ষ্যের সংজ্ঞা হলো সুনির্দিষ্ট করে কোনো কিছু পাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। আপনি যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো কিছু সুনির্দিষ্ট করে পাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করেন তখন পর্যন্ত সেটা কল্পনা বা স্বপ্ন রয়ে যাবে। মানুষ কল্পনা বা স্বপ্ন দেখতে ভয় করে না কিন্তু লক্ষ্য নির্ধারণ করতে ভয় পায়। এর পেছনে মূল কারণ হলো বিশ্বাস! লক্ষ্যে সফল হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হলো বিশ্বাস, আমি পারব! আপনার লক্ষ্য কত বড়, কত দুরূহ সেটা বড় কথা নয় বরং লক্ষ্য অর্জনে আপনার কতটুকু বিশ্বাস আছে সেটাই বড় কথা।
লক্ষ্য হতে পারে আপনি এক বছরে ১৫ কেজি ওজন কমাবেন, তিন বছরে কোম্পানির ম্যানেজার হবেন, আগামী বছর সামারে পরিবার নিয়ে বিদেশ ঘুরতে যাবেন, আগামী দুই বছরে কোম্পানির আয় দুই লাখ টাকা থেকে পাঁচ লাখ টাকায় উন্নত করবেন, ছয় মাসের মধ্যে পছন্দের কোম্পানিতে কাঙ্ক্ষিত পোস্টে চাকরি নেবেন ইত্যাদি। আপনার লক্ষ্য যদি অসাধ্য না হয়, সেটা ছোট হোক আর বড় হোক, আপনি যদি নিজের মাঝে বিশ্বাস তৈরি করতে পারেন, নিজেকে নমনীয় করতে পারেন, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ এনে লক্ষ্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন তবে কোনো কিছুই অর্জন করা অসম্ভব নয়।

কেন লক্ষ্য স্থির করব?
সহজ চিন্তা, বাসা থেকে বের হয়েছেন কোথাও যাবেন কিন্তু আপনি যদি গন্তব্য না জানেন তবে কত সময় ধরে হাঁটবেন। টেবিলে অনেক রকমের খাবার রাখা আছে, আপনি যদি জানেন কোন খাবারগুলো খাবেন তবে আপনি প্লেটে সে খাবারগুলো নিয়ে খেয়ে তৃপ্ত হবেন, সুখী হবেন। আর যদি না জানেন তাহলে অনেক খাবার প্লেটে নেবেন যার মধ্যে কিছু খাবার আপনার কাছে বিস্বাদ লাগতে পারে, আপনি অতৃপ্ত হবেন, বিরক্ত হয়ে খাবার ফেলে দেবেন।
লক্ষ্য স্থির করুন জীবনে সফল হওয়ার জন্য, সুখী হওয়ার জন্য। লক্ষ্য ছাড়া কোনো কিছুর পেছনে ছোটা সময়, অর্থ ও শক্তির অপচয়। লক্ষ্য ঠিক করলে আপনি যা অর্জন করতে চান তা কেন্দ্র করে অগ্রসর হতে পারবেন এবং কতটুকু অগ্রসর হয়েছেন তা পরিমাপ করতে পারবেন। যেমন ধরুন, আপনি ঢাকা থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে পঞ্চগড় পৌঁছার লক্ষ্য ঠিক করেছেন। আপনি যখন পঞ্চগড়ের উদ্দেশে রওনা করে দুই ঘণ্টায় বগুড়া পর্যন্ত পৌঁছাবেন তখন বুঝতে পারবেন আপনার আর ছয় ঘণ্টা সময় আছে গন্তব্যে পৌঁছার।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, লক্ষ্য ঠিক করলে আপনি তা অর্জনের প্রতি মনোযোগী থাকবেন। আপনি কোথায় যাবেন এটা ঠিক না করে যদি বাসা থেকে বের হন তাহলে, প্রথমে হয়তো মনে হবে একটু বাজারে যাই, একটু হাঁটার পর মনে হবে, খেলার মাঠে যাই, আবার একটু হাঁটার পর মনে হতে পারে, না বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাই। কিন্তু প্রথমেই যদি লক্ষ্য ঠিক করে বের হতেন যে, এক ঘণ্টা খেলার মাঠে গিয়ে খেলে আসব যাতে শরীরচর্চা হয় তাহলে আপনাকে এতবার মন পরিবর্তন করতে হতো না।
আরেকটি মজার ব্যাপার হলো, আপনি যখন লক্ষ্য ঠিক করবেন তখন লক্ষ্য নিজেই আপনাকে উৎসাহ দেবে, অনুপ্রাণিত করবে আপনার গন্তব্যে পৌঁছার জন্য। যেমন ধরেন আপনি লক্ষ্য ঠিক করেছেন আপনি সেমিস্টার পরীক্ষায় প্রথম হবেন। এই লক্ষ্য ঠিক করার কারণে আপনার নিজের মধ্যে এটা কাজ করবে যে আপনাকে ঠিকমতো ক্লাসে যেতে হবে, সঠিক সময়ে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে, টিচারদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে, পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে।

কীভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করব?
আপনি আপনার কল্পনা ও স্বপ্নগুলোকে একত্র করুন। এবার নিজের সঙ্গে বসুন, দেখুন কোন স্বপ্নগুলোকে আপনি আসলেই বাস্তবে দেখতে চান। এবার সেগুলোকে সুনির্দিষ্ট করে লক্ষ্য বানান এবং কাগজে কলমে লিখুন। আমি আবারও বলছি, আপনি লক্ষ্যকে সুনির্দিষ্ট করতে হবে। পাঁচ বছরে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করবেন না লিখে, লিখুন আমি এ বছর সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ভ্রমণ করব। নিজের ওপর বিশ্বাস আনুন যে, আমি পারব। আপনি যখন লক্ষ্য নির্ধারণ করে ফেলেছেন, এবার সে লক্ষ্য অর্জনের জন্য পদ্ধতি তৈরি করুন।
ধরুন, আপনি একটি ফুটবল দলের কোচ, আপনার লক্ষ্য হলো ২০১৭ সালের আন্ত:ক্লাব ফুটবল দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়া। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য আপনি পদ্ধতি তৈরি করেছেন, প্রতিদিন অনুশীলন করা, গা-গরম ম্যাচ খেলা, সেরা খেলোয়াড়দের বাছাই করা ইত্যাদি।
এই পদ্ধতি বা কাজের পরিকল্পনা তৈরিতে কয়েকটি বিষয়ের ওপর লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রথমত, প্রত্যেকটি লক্ষ্যের জন্য বাস্তবসম্মত সময় নির্ধারণ করুন। দ্বিতীয়ত, সময় ও লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূল লক্ষ্য অর্জনের জন্য ছোট ছোট লক্ষ্য তৈরি করুন। তৃতীয়ত, প্রত্যেকটি ধাপের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরি করুন এবং সময়ের সঙ্গে কাজগুলো দৃশ্যমান করুন। লেখা লম্বা হয়ে যাচ্ছে, অন্যসময় বাস্তব কিছু উদাহরণ দিয়ে লিখব যাতে আপনি নিজের ক্যারিয়ারের সঙ্গে মিল করে লক্ষ্য স্থাপন করতে পারেন।

সারসংক্ষেপ
নিজের লক্ষ্যকে সুনির্দিষ্ট করুন।
বাস্তব ও সময়ভিত্তিক লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে।
মূল লক্ষ্যকে ভেঙে ছোট ছোট লক্ষ্যে বিভক্ত করুন এবং সেগুলো অর্জনের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করুন।
লক্ষ্যের গুরুত্ব অনুসারে কর্মপরিকল্পনা ঠিক করুন।
লক্ষ্য অর্জনের উন্নতি অনুসরণ করুন।
সব সময় লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করার অভ্যাস করুন।

সতর্কতা
লক্ষ্য নির্ধারণ করে সঙ্গে সঙ্গে ফল আশা করবেন না। বাস্তবতা ও আপনার সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করে ফলাফলের সময়। সকলের জন্য শুভকামনা।

সূত্র: প্রথম আলোfavicon59-4

Leave a Reply