ডিসিএল স্মার্টফোন : শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ কিস্তিতে কেনার সুযোগ

ডিসিএল স্মার্টফোন : শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ কিস্তিতে কেনার সুযোগ

  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি ডেস্ক

শক্তিশালী ব্যাটারির স্মার্টফোন দেশের বাজারে ছেড়েছে দেশীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেড (ডিসিএল)। এটির মডেল ডিসিএল এল-৩০। ফোনটি পাওয়ার ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এ ফোনটি ছাড়াও আরো একটি ফোন ডিসিএল-২০ স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের জন্য ধামাকা অফার ঘোষণা করেছে ডিসিএল। শিক্ষার্থীরা এ ফোন দুটি বিশেষ ডিসকাউন্ট ও সহজ কিস্তিতে কিনতে পারবেন। এ অফারটি চলতি মাস পর্যন্ত চলবে।

ছাড় দেওয়া এল-৩০ স্মার্টফোনে আছে ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্যাটারি। এটি প্রায় ৩৬০ ঘণ্টা ধরে স্ট্যান্ডবাই মোডে চলতে সক্ষম। ফোনটিতে ‘রিভার্স চার্জিং টেকনোলজি’ থাকায় অন্যান্য ফোন চার্জ দেওয়া যায়।

বর্তমান প্রচলিত স্মার্টফোনগুলোর তুলনায় ডিসিএল এল-৩০ ফোনটির নকশায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এর পেছনে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় ও ধাতব কাঠামো।

ফোনটিতে আছে সাড়ে পাঁচ ইি মাপের ফুল এইচডি (১৯২০ * ১০৮০) রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে। এর বেজেল ২.২৫ মিলিমিটার। এছাড়াও ডিসিএল এল-৩০ সিরিজের সংযোজন করা হয়েছে ফিঙ্গার প্রিন্ট। ফোনের পেছনে বসানো এ সেন্সর মাত্র ০.১ সেকেন্ডে চালু হয়। ৩৬০ ডিগ্রিতে মোট ৫টি আঙুলের ছাপ শনাক্ত করতে সক্ষম ফোনটি।

এতে ব্যবহৃত হয়েছে এমটি৬৭৫৩ ৬৪ বিট অক্টাকোর প্রসেসর। এর র‌্যাম ৩ জিবি। ইন্টারনাল স্টোরেজ ৩২ জিবি। যা ১২৮ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

ফোনটির পেছনে ১৩ মেগা পিক্সেল, লেজার অটো ফোকাস সেন্সর ও ডুয়েল এলইডি ফ্ল্যাশ রয়েছে। দ্বিতীয় প্রজন্মের লেজার অটো ফোকাস সেন্সর থাকায় ঘরের ভেতরে বা বাইরে, কম কিংবা বেশি আলোতে ভালো ছবি তুলতে পারে। ইলেকট্রনিক ইমেজ স্ট্যাবলাইজার আছে এতে।

ডিসিএল এল-৩০ পেছনে ১৩ মেগা পিক্সেল, লেজার অটো ফোকাস সেন্সর ও ডুয়েল এলইডি ফ্ল্যাশ রয়েছে। ফোনটিতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৬ মার্শম্যালোর ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ইন্টারফেস। ফোনের স্ক্রিন বন্ধ থাকার সময়ে কোনো অক্ষর লিখে সরাসরি খোলা যাবে দরকারি অ্যাপ। এতে আছে গেম জিনি নামের ফিচার। যাতে গেম খেলার সময় ফোন স্ক্রিন সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভ করা যায়। অ্যানিমেশন, ফোল্ডার, আইকন, থিম বা ফন্ট-খুব সহজেই মনের মতো পরিবর্তন করা যায় জেন ইউআই দিয়ে। কুইক নোটিফিকেশন মেনু ও নিজ ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করা যায় এই ফোনে।

দেশের বাজারে ফোনটি মুল্য ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৯৯০ টাকা। যা ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫ হাজার ৯৯০ টকা।

IMG_0183-copyএল-২০

যারা স্মর্টফোন দিয়ে ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করেন তাদের পছন্দের ফোন হতে পারে ডিসিএল-এর ‘এল-২০’ স্মার্টফোনটি। ফটোগ্রাফিকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ফোনটিকে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক ১৩৫ সনি আই মিক্স ডুয়াল লেন্স ক্যামেরা। যা দিয়ে এস.এল.আর, প্যানারোমা, ফেসবিউটি মুডের মাধ্যমে ছবি তোলা যায় খুব অনায়াসে। নিরাপত্তার জন্য এটিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরও রয়েছে। ফোনটি বাজারে এনেছে দেশীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেড (ডিসিএল)।

এটির মূল্য ১২ হাজার ৪৯০ টাকা। যা ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের জন্য দশ হাজার ৯৯০ টাকা। এতে ব্যবহৃত হয়েছে এমটি৬৭৩৭ ৬৪ বিট অক্টাকোর প্রসেসর। গ্রাফিকস প্রসেসিংয়ে রয়েছে অ্যাড্রিনো ৫০৫। এর র‌্যাম ২ জিবি। ইন্টারনাল স্টোরেজ ১৬ গিগাবাইট। যা মাইক্রোএসডি কার্ড দিয়ে ৬৪ গিগাবাইট স্টোরেজ বাড়ানো যাবে।

ফোনটির পেছনে রয়েছে লেজার অটো ফোকাস সেন্সর ও ডুয়েল এলইডি ফ্ল্যাশসহ ১৩.৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। দ্বিতীয় প্রজন্মের লেজার অটো ফোকাস সেন্সর থাকায় ঘরের ভেতরে বা বাইরে, কম কিংবা বেশি আলোতে ভালো ছবি তোলা যাবে। এতে ইলেকট্রনিক ইমেজ স্ট্যাবলাইজার আছে।favicon59-4

Leave a Reply